ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৮ অক্টোবর ২০২১ ||  কার্তিক ১২ ১৪২৮

দুদকের অনুসন্ধানে দিশেহারা বিএনপি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫০, ২৯ জুন ২০২১  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, অনিয়ম, মাদক ব্যবসা ও চোরাচালানসহ নানান অভিযোগে বিএনপির সাবেক এমপি ও মন্ত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জানা গেছে, দুদকের এমন পরিকল্পনা জেনে বিএনপি শিবিরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিএনপির অনেক নেতা এরই মধ্যে গা-ঢাকা দিয়েছেন। আরো অনেকে গা-ঢাকা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি টাকা আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির সাবেক এমপি ও মন্ত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দুদক। দুদকের এ অনুসন্ধান জালে রয়েছেন বিএনপির অর্ধশত সাবেক এমপি। এদের অনেকেই অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে দুদক।

দুদকের তালিকায় রয়েছেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বগুড়া-৩ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি আবদুল মোমিন তালুকদার, তার স্ত্রী মাছুদা মোমিন ও ভাই আবদুল মুহিত তালুকদার, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির সাবেক এমপি শহীদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, নাটোর-৪ আসনের এমপি এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ আরো অনেকেই।

বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, কোরবানির আগে হঠাৎ করে দুদকের এমন তৎপরতায় বিএনপির অভ্যন্তরে শুরু হয়েছে অস্বস্তি ও ভীতি। রাজনৈতিকভাবে দল এমনিতেই চাপে রয়েছে, তার ওপর দুদকের এমন পরিকল্পনা বিএনপি নেতাদের জন্য গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুদকের হাত থেকে বাঁচতে বিএনপির অন্তত ১৫ জন নেতা বিদেশে ঈদ উৎযাপন করার নামে দেশত্যাগ করার পরিকল্পনা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের দুর্নীতি ও অপকর্মের কারণে আসন্ন কোরবানির ঈদ জেল হাজতে কাটবে, এমন ভীতি ভর করেছে দুদকের তালিকাভুক্ত বিএনপির নেতা ও সাবেক এমপিদের মনে।

তারা আরো বলছেন, চুরি ও দুর্নীতির মতো অভিযোগে জেলে গেলে বিএনপি নেতাদের ইজ্জত-সম্মানে বড় ধরনের আঘাত লাগতে পারে। তাই দেশত্যাগ ও আত্মগোপনকেই তারা বেছে নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়