ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৮ অক্টোবর ২০২১ ||  কার্তিক ১২ ১৪২৮

বিএনপি-জামায়াত সহিংস রাজনীতি পুনর্জীবিত করতে মরিয়া

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:০৩, ২৯ জুন ২০২১  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সরকারের দক্ষ নেতৃত্বে অদম্য গতিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। অর্থনৈতিক ও সামাজিক, সব সূচকই উর্ধ্বমুখী। অথচ একদল মানুষের এসব নিয়ে গাত্রদাহের শেষ নেই। তাদের এই তৎপরতাকে ‘অশুভ’ উল্লেখ করে বিশিষ্টজনরা বলছেন, এই সব অর্বাচীনরা যখন একই সুরে কথা বলেন, তখন বুঝবেন- দীর্ঘদিন বাংলাদেশে যে একটি সুস্থ রাজনৈতিক ধারা চলমান, বহির্বিশ্বের বুকে আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা, এসব তারা মানতে পারছেন না। সে কারণেই নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে পিছিয়ে নিতে তারা ষড়যন্ত্র করছেন। বলছেন, সরকার এই করে নাই, সেই করে নাই। আচ্ছা তারা কি করেছিল, সেটা নিশ্চয় জনগণ ভোলেনি, তাই না?

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ দেখে মাথা ঠিক নেই একটি মহলের। এ কারণে ‘পেইড এজেন্ট’র মাধ্যমে সরকারকে অস্থিতিশীল করা ও বিপদে ফেলার পাঁয়তারা করছে তারা। যারই অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যক্তি সরব হয়েছেন। যাদের মধ্যে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) অলি আহমেদ, বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ডা. জাফরুল্লাহ ও মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) সৈয়দ ইবরাহিম অন্যতম। সঙ্গে রয়েছে ওয়ান-ইলেভেনের একাধিক কুশীলবও।

বাংলানিউজ ব্যাংকের অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশে চলমান সুস্থ গণতান্ত্রিক ধারা, সরকারের ব্যাপক জন সমর্থন, আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল ও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে ভালোভাবে দেখছে না ওই বিশেষ মহল। চরম অখুশি হয়ে তারা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে কাঙ্ক্ষিত মনে করে বিএনপি-জামায়াতপন্থী সুশীলদেরকে নিয়ে পাকাচ্ছেন বিশেষ গোট। যারা কেবল অন্ধের মতো সরকারের সমালোচনা করবে। প্রমাণ করার চেষ্টা করবে, এই সরকার আসলে কিছুই করেনি।

কিন্তু কাজটি ‘সহজ’ নয় উল্লেখ করে দেশের রাজনৈতিক বিজ্ঞজনরা বলছেন, সরকার দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কি করেছে কিংবা করছে, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ মহলের দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানানো দেশ আজ সরকারপ্রধানের প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে বহির্বিশ্বের বুকে এক উন্নয়নের রোল মডেল। তাই চাইলেও আর যে কেউ দেশকে পিছিয়ে নিতে পারবে না। বিষয়টি অত সহজ নয়। জনগণ জেগে আছে।

রাজনৈতিক এই বিশ্লেষকরা আরও বলেন, সরকারসহ সকলকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে ওই কুচক্রী মহলটি কোনভাবেই জ্বালাও-পোড়াওয়ের মতো সহিংস রাজনীতিকে পুনর্জীবিত না করতে পারে। পাশাপাশি না রচনা করতে পারে অস্থির পরিস্থিতির পটভূমির।

আরও পড়ুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়