ঢাকা, রোববার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ ||  অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৯

দেশ নিয়ে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে ভন্ড জ্যোতিষী পিকানি ভট্টাচার্য

রাজনীতি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৩৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২  

পিকানি ভট্টাচার্য

পিকানি ভট্টাচার্য

মাননীয় প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফরে নতুন মাত্রা পেয়েছে দুই দেশের সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সাতটি সমঝোতা সই করেছে দুই দেশ। বৈঠকে উঠে এসেছে পারস্পরিক স্বার্থ ও ভূরাজনীতি। জ্বালানি অংশীদারিত্ব, পানি সহযোগিতা, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগে নতুন দ্বার উন্মোচন হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান বৈশ্বিক সংকটময় মুহূর্তে দ্বিপক্ষীয় ও উপাঞ্চলিক সহযোগিতাবিষয়ক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ঐকমত্য হয়েছেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

অথচ জ্যোতিষী পিকানি ভট্টাচার্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজগুবি সব সবক দিচ্ছেন। বলছেন, চীন-ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ঠিক রাখতে গিয়ে নাকি ‘মাইনকা চিপায়’ পড়ে গেছে বাংলাদেশ। অথচ দীর্ঘদিন ধরে একমাত্র বাংলাদেশই দু’দেশের সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের স্বার্থ ও উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। যার অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে।

হ্যাঁ একথা সত্য যে, বাংলাদেশে চীনের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার দিকে ইঙ্গিত দিয়েছে ভারত। তবে এ বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ। দক্ষীণ এশিয়ায় চীন-ভারত দ্বন্দ্বের বিষয়টি সদ্য ভূমিষ্ট ছাগল ছানাটিও জানে। জানে না আমাদের পিনাকি সাহেব। তাই রঙ্গরসে ভরা বিভ্রান্তিকর ও দুর্বল চিত্রনাট্য মঞ্চস্থ করেছেন তিনি।

প্রত্যেক দেশের পররাষ্ট্র নীতি তার নিজস্ব নিয়মে চলে। আর এ নীতির উপরই টিকে থাকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক। এটাও জানে না ভন্ড জ্যোতিষী পিকানি ভট্টাচার্য। তাই অপপ্রচার ছড়াচ্ছে- ‘চীনের সাথে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করায় বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হয়েছে।’

কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থ ও উন্নয়নে চীন-ভারত দুই দেশই সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। এর সবটাই সম্ভব হয়েছে- শেষ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে।

চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম বড় অংশীদার। ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রেও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পররাষ্ট্র নীতি- ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ সেটি বজায় রেখেই কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখছে বাংলাদেশ। সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী ও স্বাধীনতা যুদ্ধে অন্যমত সাহায্যকারী দেশ হিসেবে আমাদের সবসমেই ভারতকে প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন ধরে রাখতে প্রচুর অর্থ সহযোগিতারও প্রয়োজন, আর সেটি রয়েছে চীনের কাছে। এ কারণে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়