ঢাকা, বুধবার   ১৯ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ৫ ১৪৩১

বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০৪, ১৩ জুলাই ২০২৩  

বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

যথাযথ উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (১২ জুলাই) ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মো. আলমগীর হোসেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন, ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের কর্মকর্তাগণ, পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীগণ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাসের হলরুমে  ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী।

মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী তার বক্তব্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ স্মার্ট বাংলাদেশ হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে এবং বিদেশস্থ  বাংলাদেশ মিশন সমূহে ই-পাসপোর্ট সুবিধা প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারেই প্রতিফলন। 

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ এখনও ই-পাসপোর্টের প্রচলন করতে পারেনি এবং দক্ষিন এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করেছে। ই-পাসপোর্ট চালু হলে শুধু ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশনই সহজ হবে না, বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হবে এছাড়াও সরকার পর্যায়ক্রমে বিদেশের সকল বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট সুবিধা চালু করবে। বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মো. আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে দূতাবাস লিসবন-এ  ই-পাসপোর্ট সুবিধা প্রবর্তনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে্র সুযোগ্য নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। 

তিনি বলেন, পর্তুগালে ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর মাধ্যমে পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশীদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষিত দাবী পূরণ হলো যা পর্তুগালে সদ্য আগত বাংলাদেশিদের নিয়মিতকরণে সহায়তা করবে। এছাড়াও আলোচনা সভায় পর্তুগাল প্রবাসী ও বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দনগন অনুষ্ঠান বক্তব্য রাখেন।

পরবর্তীতে, সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব কয়েকজন আবেদনকারীকে ই-পাসপোর্টের এনরোলমেন্ট স্লিপ হস্তান্তর করেন এবং সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ দূতাবাস পরিদর্শন করেন এবং সেবা প্রার্থীদের সাথে মত বিনিময় করেন।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়