ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৫ এপ্রিল ২০২৪ ||  বৈশাখ ১১ ১৪৩১

১০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বিএনপির গুজব ও তার ফ্যাক্টচেক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:১৭, ১৯ জুন ২০২৩  

১০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বিএনপির গুজব ও তার ফ্যাক্টচেক

১০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বিএনপির গুজব ও তার ফ্যাক্টচেক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা রপ্তানি আয়ের ১০ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশে দ্রুত নিয়ে আসার নির্দেশকে ঘিরে গেলো বছরের ২৫ জুলাই একটি সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক যুগান্তর। কিন্তু প্রকাশিত ওই সংবাদকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে গুজব ছড়াচ্ছে ভুয়া নাগরিক টিভি ও বিতর্কিত আমার দেশ পত্রিকা। বিদেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ওই অর্থকে সজীব ওয়াজেদের পাচার করা টাকা বলে অপপ্রচার করছে বিএনপির এই এজেন্টরা।

বিতর্কিত নিষিদ্ধ পত্রিকা আমার দেশ ও ভুয়া নাগরিক টিভির বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যক্রমের সত্যতা পাওয়া গেছে অনেক আগেই। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় নিজেদের কার্যসিদ্ধি করতে এবার তাই তারেক-খালেদার এজেন্ডা বাস্তবায়নে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে চালাচ্ছে অপপ্রচার।

জানা যায়, গত ১৫ জুন সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানি লন্ডারিং এর সন্ধান পেয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগে’র Office of Terrorism and Financial Intelligence (TFI) এমন গুজব ছড়ায় বিএনপির গুজবসেল। কিন্তু ঘটনার সত্যতা খুঁজতে গেলে টিএফআইয়ের অফিসিয়াল সাইটে ১৪ ও ১৫ তারিখের যাবতীয় নিউজ ঘেঁটে এমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি সজীব ওয়াজেদ লিখে সেখানে সার্চ করলেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

যদিও যুগান্তরে প্রকাশিত ওই সংবাদে স্পষ্ট বলা আছে, এই টাকা রপ্তানিকারকদের টাকা যা বিভিন্ন ব্যাংকে নানা জটিলতার কারণে আটকে আছে। সংবাদটির কোথাও সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম উল্লেখ নেই।

এর আগেও সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে বিএনপি জামায়াত অনেক গুজব ছড়িয়েছে যে তাকে আমেরিকায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। কিংবা তিনি লাপাত্তা, কোন খবর পাওয়া যাচ্ছে না তার। এমন অগণিত মিথ্যা ও গুজব ছড়িয়েছে বিএনপি-জামায়াত। প্রকৃতপক্ষে পর্দার আড়ালে থাকা এই নিভৃতচারী মানুষটি দেশের আইসিটি খাতকে সমৃদ্ধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এজন্য মিডিয়ায় নিয়মিত আসার প্রয়োজনীয়তাও নেই।

মূলত এই গুজবের সূত্রপাত, দুর্নীতি ও অবৈধ টাকা পাচারের দায়ে দণ্ডিত বিএনপির পলাতক চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে নামসর্বস্ব নাগরিক টিভির বৈঠকের পরপরই। লবিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশন থেকে শুরু করে জাতীয় প্রেক্ষাপটকে অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্রের ছক সেখানে বুনা হয়। আর সেভাবেই আগাচ্ছে তারেক ও তার গুজবগোষ্ঠী।

প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় থাকাকালে ‘ব্যর্থতা’, ‘দুর্নীতি’ ও ‘সন্ত্রাস’ ঘটায় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। আর তার নাটের গুরু খালেদা পুত্র তারেক রহমান। ২০০১-০৬ সালে বিদ্যুতের ২৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুর্নীতির সূচকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হ্যাট্রিক! ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা, সারা দেশে জঙ্গি হামলা, পেট্রোল বোমা হামলাসহ অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে খালেদা-তারেক গংয়ের বিরুদ্ধে। এসব কারণে তাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয় জনগণ। আর নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ক্ষমতায় যেতে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে বিএনপি তাই এমন গুজব সন্ত্রাস শুরু করেছে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়