ঢাকা, শনিবার   ১৫ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ১ ১৪৩১

শিক্ষকদের অনুপস্থিতি তদারকিতে মাউশির পাঁচ দফা নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:১১, ১৯ জুলাই ২০২৩  

শিক্ষকদের অনুপস্থিতি তদারকিতে মাউশির পাঁচ দফা নির্দেশনা

শিক্ষকদের অনুপস্থিতি তদারকিতে মাউশির পাঁচ দফা নির্দেশনা

নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন ও শিখন ঘাটতি পূরণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অনুপস্থিত শিক্ষকদের তদারকিসহ পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও স্থানীয় প্রশাসনকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকেলে মাউশির পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২’ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৩ সাল থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন টিচিং-লার্নিং অ্যাপ্রোচে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন নির্ভর করছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজন যেমন- প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ব্যবস্থাপনা কমিটি বা গভর্নিং বডি, শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সবার কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটি। দৈনন্দিন শিখন-শেখানো ও মূল্যায়ন কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে শিক্ষকদের ও তা পর্যবেক্ষণে প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিয়মিত উপস্থিতি অপরিহার্য। 

কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে- কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকরা নিয়মিত কর্মরত প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত না থেকে নতুন শিক্ষাক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছেন। পাশাপাশি এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিরও কোনোরূপ নজরদারি না থাকায় নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আদেশে আরো বলা হয়, কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়নি। ফলে এখন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস নেওয়াসহ গভীর নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের অনিয়মিত উপস্থিতি- এ কার্যক্রমসহ শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ ক্ষুণ্ণ করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হলো।

নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি সক্রিয় তদারকি করবে। শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান কার্যকর ভূমিকা নেবেন। কভিড-১৯ অতিমারির কারণে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে গৃহীত বিশেষ ব্যবস্থা কার্যকর রাখা। সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে মিথ্যা ও উসকানিমূলক প্রচারণায় অংশগ্রহণ না করা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়